শনিবার - ২১ ভাদ্র ১৪২৭ - ৫ সে্প্টেম্বর ২০২০ - Sep 30, 2020
   নাগরিক ভাবনা

আমরা কি ঘুমিয়েই জীবন থেকে চিরবিদায় নিবো?

আমরা কি ঘুমিয়েই জীবন থেকে চিরবিদায় নিবো?


ঊর্মিলা বড়ুয়া

শুরুতে অনেকটা শিথিল পরিস্থিতিতে দেওয়া হলো লকডাউন, ছিল আইনশৃঙখলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।


দিন-দিন পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা কি করেছি! বিজিএমইএ দিলো গার্মেন্টস খোলার অনুমোদন। যেখানে প্রতিটি কারখানায় হাজার হাজার কর্মীর পদচারণা। তাও মেনে নিলাম। তৈরি পোশাক শিল্পে অধিক লোকসান বহন করা সম্ভব নয়। এতে মানুষ বাঁচুক কিংবা মরুক। এতেই কিন্তু আমরা ক্ষান্ত হইনি, ফ্যাশনপ্রিয় জাতি যার বাঁচা-মরা আনপ্রেডিকটাবল সে কিন্তু শপিং ছাড়া ঈদ! ভাবতেই পারেনা। অল্প বিস্তর শপিং মল খুলে দেওয়া হলো যেখানে ছিলো উপচেপড়া ভীড়।

এরপরের পদক্ষেপ ছিলো অতি চাঞ্চল্যকর। ঈদ উপলক্ষ্যে ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহারের অনুমোদন! মরি কি বাঁচি, ঈদে ঘুরবোই! ব্যাস! যেই কথা সেই কাজ। নেই কোন প্রোটেকশান বা এওয়্যারন্যাস। দিলাম ভাইরাস ছড়িয়ে। এরপর গতকাল থেকে গণপরিবহন চলাচলের নির্দেশ। বিভিন্ন ভিডিও বার্তায় এর চিত্র আমরা সকলেই দেখেছি।

আজ ভয়াল অবস্থা যার পুরোটার জন্যে দায়ী আমরা। কিন্তু দেখুন, আমরা অনেকেই কিন্তু যথাযথ হোম কোয়ারেন্টাইন পালন করেছি; নিজের এবং পরিবারের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে। গুটিকয়েক মানুষের অসচেতনতার জন্যে আজ হুমকির মুখে চিকিৎসক এবং চিকিৎসা ব্যাবস্থা। আমরা কিন্তু রেহাই দেইনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দের। সেই সাথে প্রোটেকশান ইউজ করেও ভাইরাস মুক্ত থাকতে পারেননি ব্যাংকাররাও। শুধুমাত্র ডিপিএস পরিশোধে ভীর জমিয়েছি ব্যাংক গুলোতে। আমরা শুধু বিপদ টুকু ডেকেছি। দিতে পারিনি কোথাও এতোটুকু স্বস্তি।

অপর্যাপ্ত চিকিৎসাব্যবস্থা, মেডিকেল ইক্যুপমেন্ট এর স্বল্পতা, এসব টা জেনেও কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব না মেনে গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি আমরা। একটি ভেন্টিলেটরের অভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছি আমরা। এতোসব অর্থ-বিত্ত , বিশাল সুউচ্চ দালান কিন্তু আমাকে বাঁচাতে পারেনি। কিন্তু মৃত্যুর কাছে পরাজিত এই আমি ৫০ টি ভেন্টিলেটর এর ব্যবস্থা করার ক্ষমতাও রাখি। যাই হোক, এক একটি মৃত্যু এক একটি শিক্ষা আমাদের কাছে। হয়তো বা তার চিন্তা চেতনায় জনকল্যাণমুখী অনেক কিছুই ছিলো। কিন্তু সময় তা বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়নি। তাই সময় থাকতে যে যার মতো এগিয়ে আসা উচিত।বর্তমান পরিস্থিতি নির্মূলে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ অবশ্যম্ভাবী।

এই মূহুর্তে সর্বশেষ ক্ষতিকর দিক থেকে বেঁচে ফিরে আসার একটিমাত্র উপায় হিসেবে কারফিউ জারির কোন বিকল্পই নেই।বৃহত্তর চ্ট্টগ্রামের স্বার্থে, চ্ট্টগ্রামবাসীর জীবন রক্ষার্থে, চট্টগ্রামেরই জন্মজাত ক্ষমতাসীন ব্যক্তিবর্গের এগিয়ে আসা উচিত। আমরা চাইলেই কারফিউ জারি সম্ভব। যার গুরুত্ব বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মুহূর্তে লাভ-ক্ষতি বিচারের সুযোগ নেই। অতি প্রয়োজনীয় কারফিউ জারিতে হয়তো অনেকগুলি মানুষ প্রাণে বেঁচে যাবে। আমরা চাই না আর কোন মৃত্যুমিছিল।

লেখক: তরুণ সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠক।

বাংলাদেশ, ০১ জুন ২০২০ সোমবার ০৬:১৫ পিএ


‘দি প্যালেস মিউজিয়াম’ : তিনশ বছরের পুরনো নবাব বাড়ি
   ‘দি প্যালেস মিউজিয়াম’ : তিনশ বছরের পুরনো নবাব বাড়ি

কাছেদূরে ডেস্ক:

বগুড়ার অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান ‘দি প্যালেস মিউজিয়াম’।তিনশ বছর আগের নবাব বাড়িটি ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

বিস্তারিত


স্মৃতির চিলেকোটায় মহামিলনের অপেক্ষা
   স্মৃতির চিলেকোটায় মহামিলনের অপেক্ষা

ঐতিহ্য ডেস্ক | কাছেদূরে ডটকম

লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গৌরবের ৫০ বছর:

নিবারণ বড়ুয়া:


পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়

ও সেই চোখে দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়

আয় আর একটিবার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে আয়

মোরা সুখের দুখের কথা কব, প্রাণ জুড়াবে তায়

মোরা ভোরের বেলা ফুল তুলেছি, দুলেছি দোলায়-

বাজিয়ে বাঁশি গান গেয়েছি বকুলের তলায়

হায় মাঝে হল ছাড়াছাড়ি, গেলেম কে কোথায়

আবার দেখা যদি হল, সখা, প্রাণের মাঝে আয়।

বিস্তারিত


চক্রশালা চৈত্য: চট্টগ্রামের সুপ্রাচীন বৌদ্ধতীর্থ
   চক্রশালা চৈত্য: চট্টগ্রামের সুপ্রাচীন বৌদ্ধতীর্থ

শ্যামল চৌধুরী : এক্সিকিউটিভ এডিটর | কাছেদূরে ডটক

যুগে যুগে বঙ্গ বা বাঙালি শব্দকে ঘিরে সুজলা-সুফলা অস্তিত্বকে কবি, সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিকরা ভাবের ব্যঞ্জনায় প্রকাশিত করে আসছেন। ইবনে বতুতা, আলবেরুণী, টলেমী ও চৈনিক পর্যটকগণ বাংলার ঐশ্বর্য ও সৌন্দর্যে মুগ্ধ না হয়ে পারেননি।

বিস্তারিত


নব আবিষ্কৃত বিক্রমপুরি বৌদ্ধ বিহার ও অতীশ দীপংকর
   নব আবিষ্কৃত বিক্রমপুরি বৌদ্ধ বিহার ও অতীশ দীপংকর

শ্যামল চৌধুরী

 

আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে রাজা গোপালের নেতৃত্বে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠার ফলে বাংলাদেশের বৌদ্ধধর্মের সুপ্ত আলো দেদীপম্যান হয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রসার লাভের সুযোগ লাভ করে। তাই পালযুগকে বৌদ্ধধর্মের ইতিহাসে স্বর্ণযুগ নামে অভিহিত করা হয়। এ যুগে সর্বপ্রথম বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটে।

বিস্তারিত




ভিডিও (কাছেদূরে টিভি)

ফটো গ্যালারি

  বিজ্ঞাপন প্যানেল







  অনলাইন মতামত

  বিজ্ঞাপন প্যানেল